সৌদি-ইসরায়েল গোপন বৈঠক: সম্পর্কে নতুন মোড়?

সৌদি আরব ও ইসরায়েলের মধ্যকার কয়েক দশকের টানাপোড়েনের গল্প শেষ হতে চলেছে কি না এমন প্রশ্নও উঠেছে। এমনটা হলে বিশ্ব রাজনীতিতে তার কী প্রভাব পড়বে তা নিয়েও চলছে আলোচনা। 

সৌদি-ইসরায়েল গোপন বৈঠক: সম্পর্কে নতুন মোড়? 

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু সম্প্রতি গোপনে সৌদি আরব সফর করে যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান এবং মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেওর সঙ্গে বৈঠক করেছেন। এমন বিস্ফোরক খবর দিয়েছে ইসরায়েলি গণমাধ্যমগুলো। ২২ নভেম্বরের এই বৈঠক ঘিরে এখন পুরো বিশ্বেই আলোচনা চলছে। সৌদি আরব ও ইসরায়েলের মধ্যকার কয়েক দশকের টানাপোড়েনের গল্প শেষ হতে চলেছে কি না এমন প্রশ্নও উঠেছে। এমনটা হলে বিশ্ব রাজনীতিতে তার কী প্রভাব পড়বে তা নিয়েও চলছে আলোচনা।

দ্বন্দ্ব ছিল ফিলিস্তিন নিয়ে

গত বেশ কয়েক দশক ধরেই মধ্যপ্রাচ্যসহ অধিকাংশ আরব দেশই ইহুদি রাষ্ট্র ইসরায়েলকে বয়কট করে আসছে। দেশগুলো তাদের এই বয়কটের আদেশ ততদিন পর্যন্ত চলার কথা বলেছিল, যতদিন ইসরায়েল ফিলিস্তিনি বিবাদের মীমাংসা না করে। এজন্য ইসরায়েলের সাথে তারা সম্পর্ক স্বাভাবিক না করারও অঙ্গীকার করেছিল। কিন্তু সময়ের সাথে আরব দেশগুলোর বয়কট পরিস্থিতিতে পরিবর্তন দেখেছে বিশ্ব। একইসাথে ফিলিস্তিনিরাও তাদের আশার জায়গায় চিড় দেখতে পারছে।

লন্ডনভিত্তিক গবেষণা সংস্থা চ্যাটাম হাউজের মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক গবেষক মোহাম্মদ এল-দাহশান জাতিসংঘে চাকরির সূত্রে দীর্ঘদিন পশ্চিম তীর এবং ইসরায়েলে ছিলেন। নিজের দেখা অভিজ্ঞতা ও পর্যবেক্ষণ থেকে তিনি বিবিসি বাংলাকে বলেছেন, “স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন ফিলিস্তিনিরাই এখন আর দেখছেন না।”

©BBC

পশ্চিম তীর এবং পূর্ব জেরুজালেমে এখনও নতুন নতুন ইহুদি বসতি তৈরি হচ্ছে। ওই সব বসতিতে ইহুদি জনসংখ্যা আট লাখ ছাড়িয়ে গেছে। ওই সব বসতি রক্ষার নামে ফিলিস্তিনি জনবসতির মধ্যে দেয়ালে পর দেয়াল উঠেছে।  গাজা ভূখণ্ডকে তাই তিনি এখন একটি কারাগার ছাড়া আর কিছু ভাবেন না।

“ফলে ফিলিস্তিনিরা বুঝে গেছে রাষ্ট্র গঠন আর সম্ভব নয়। তাদের নেতারা মুখে না বললেও বাস্তবতা বুঝতে পারছেন।“, বলছেন এল-দাহশান।

সৌদির মত বদলানোর ইঙ্গিত ছিল?

এই বছরের(২০২০) সেপ্টেম্বরে বিদায়ী মার্কিন প্রেসিডেন্ট (মেয়াদ শেষ হতে মাস দুয়েক বাকি) ডোনাল্ড ট্রাম্প আনুষ্ঠানিক এক বার্তায় জানান যে, আরব দেশ বাহরাইন ইসরায়েলকে স্বীকৃতি প্রদান করতে সম্মতির কথা জানিয়েছে। মিসর, জর্ডান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের পর বাহরাইন চতুর্থ আরব রাষ্ট্র হিসেবে ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণের পথে এগিয়েছে। এক মাসের ব্যবধানে পর পর দুই আরব দেশ ইসরায়েলের ব্যাপারে নিজেদের নমনীয়তা দেখানোয় বিশ্লেষকরা ধারণা করেছিলেন, এই দুই দেশের মিত্র সৌদি আরবও সম্ভবত তাদের মত বদলে উদ্যোগী হতে পারেন।

এর আগে গত আগস্টে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছিলেন, তার দেশ বেশ কিছু আরব দেশের সঙ্গে স্বাভাবিক কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের লক্ষ্যে গোপনে আলোচনা করছে। সেই আলোচনার পথ ধরে সৌদির সাথে সম্পর্ক নতুন মোড় নিতে পারে বলে ধারণা রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের।

মধ্যপ্রাচ্য ও ফিলিস্তিন সংকট নিয়ে অনেকদিন ধরেই গবেষণা করেছেন অর্থনীতিবিদ ড. মুশতাক খান। বিবিসি বাংলাকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, “সৌদি সাংবাদিক জামাল খাসোগজিকে ২০১৮ সালে তুরস্কের ইস্তানবুলে সৌদি কনস্যুলেটে হত্যা করার ঘটনা নিয়ে বেকায়দায় ছিল সৌদি কর্তৃপক্ষ।”

জামাল খাসোগজির হত্যার পর সৌদি নেতৃত্ব বেশ খারাপ অবস্থানে ছিল। সেই সুযোগ নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসন সৌদি কর্তৃপক্ষের ওপর চাপ দিয়ে ইসরায়েলের সাথে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার ব্যাপারে একটা বোঝাপড়ায় পৌঁছে থাকতে পারে বলে ধারণা এই গবেষকের।

ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বিনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান। ©রয়টার্স

তাঁর মতে, ওই দেশগুলোর অর্থনীতি যেহেতু শুধু তেল-নির্ভর নয়, সেটাও সৌদি আরবের জন্য দুশ্চিন্তার আর একটা কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই আমেরিকার সমর্থনের জন্য ইসরায়েলের সাথে একটা সমঝোতায় আসার ঘোষণা দেয়া এখন তাদের জন্য “শুধু সময়ের ব্যাপার” বলে তাঁর ধারণা।

নেতানিয়াহুর সফরের সত্যতা কতটুকু?

ইসরায়েলের হারেৎজ পত্রিকা ২২ নভেম্বরের একটি বিমান চলাচলের তথ্যের বরাত দিয়ে এই সম্পর্কিত এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে , সংক্ষিপ্ত সময়ের ভ্রমণে একটি ব্যক্তিগত বিমান ইসরায়েলের রাজধানী তেল আবিব থেকে সৌদি আরবের নিওম শহরে গিয়েছিল। এই বিমানেই ইসরায়েলী প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু এবং দেশটির গুপ্তচর সংস্থা মোসাদের প্রধান ইয়োসি কোহেন ছিলেন বলে দাবী করা হচ্ছে সংবাদমাধ্যমে।

সেদিনই নিওমে যুবরাজ সালমান এবং পম্পেওর বৈঠক কর্মসূচি নির্ধারিত ছিল। বিমানটি  বিকাল ৫ টায় ইসরায়েলের তেল আবিব থেকে ছেড়ে এসেছিল। গন্তব্য ছিল সৌদি আরবের লোহিত সাগর তীরবর্তী শহর নিওমে। বিবিসি বলছে, নিওমের বিমানবন্দরে অবতরণ করার পর বিমানটি প্রায় দু-ঘন্টা সেখানে অবস্হান করেছিল।  মধ্যরাতের পর আবার জেট বিমানটি  তেল আবিবে ফিরে গেছে বলে জানিয়েছে ‘দ্য জেরুজালেম পোস্ট’ পত্রিকা।  টি-সেভেন সিপিএক্স বিমানটির মালিক ইসরায়েলি ব্যবসায়ী উদি এ্যাঞ্জেল।

বিমান চলাচল নিয়ে একটি টুইট। ©বিবিসি

ফ্লাইট-ট্র্যাকিং উপাত্ত বরাতে একজন ইসরায়েলি সাংবাদিক এ ব্যাপারটি প্রথম খেয়াল করেন। তিনি দেখেন যে নেতানিয়াহু ব্যবহার করেছেন এমন একটি বিমান ইসরায়েল থেকে সরাসরি ফ্লাইটে সৌদি শহর নিওমে গিয়েছিল।

আসলেই কি হয়েছে বৈঠক?

গেল ২৩ নভেম্বর ইসরায়েল প্রশাসনের পক্ষ থেকে এই বৈঠকের সত্যতা নিশ্চিত করা হলেও অস্বীকার করা হয়েছে সৌদির পক্ষ থেকে।

নেতানিয়াহু,  মোহাম্মদ বিন সালমান এবং  মাইক পম্পেওর ত্রিপক্ষীয় যে বৈঠকের খবর এসেছে গণমাধ্যমে সেটি বৈঠকের পরদিনই অর্থাৎ ২৩ নভেম্বর নিশ্চিত করেছেন নেতানিয়াহুর মন্ত্রিসভা এবং লিকুদ পার্টির এক সদস্য।

এক প্রশ্নের উত্তরে ইসরায়েলি আর্মি রেডিওতে ইসরায়েলের শিক্ষামন্ত্রী ইয়োয়াভ গ্যালান্ট বলেছেন, “আসলে বৈঠক হয়েছে এবং তা প্রকাশ্যেও এসেছে, যদিও এ মুহূর্তে তা পুরোপুরি সরকারিভাবে ঘোষিত বৈঠক নয়। তারপরও এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি ব্যাপার। এক অভাবনীয় অগ্রগতি।”

মার্কিন দৈনিক ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল তাদের একটি প্রতিবেদনে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন ”সৌদি উপদেষ্টাকে” উদ্ধৃত করে নেতানিয়াহু- প্রিন্স মোহাম্মদ বৈঠকে কী নিয়ে কথাবার্তা হয়েছে তার কিছু আভাস দিয়েছেন।

গোপন বৈঠকটিতে দু’দেশের সম্পর্ক স্বাভাবিক করা এবং ইরান ইস্যুটি নিয়ে কথা হয় – কিন্তু কোন ঐকমত্য হয় নি, বলছেন ওই সৌদি উপদেষ্টা।

তবে ইসরায়েলি গণমাধ্যমগুলো যে খবর প্রকাশ করেছে, তা উড়িয়ে দিয়ে সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, এ ধরনের কোনো বৈঠক হয়নি।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স ফয়সাল বিন ফারহান আল সৌদ এক টুইট বার্তায় বলেছেন, ‘‘আমেরিকার পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেওর সাম্প্রতিক সফরের সময় যুবরাজের সঙ্গে ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের মধ্যে বৈঠক হওয়ার দাবি করে যে খবর প্রকাশ পেয়েছে তা আমি দেখেছি। এ ধরনের কোনও বৈঠকই হয়নি। বৈঠকে কেবল আমেরিকান ও সৌদি কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।”

ইসরায়েলের কান পাবলিক রেডিও এবং আর্মি রেডিও এর আগে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে জানিয়েছিল, নেতানিয়াহু এবং ইসরায়েলের মোসাদ গোয়েন্দা সংস্থার পরিচালক জোসেফ কোহেন ২২ নভেম্বর সন্ধ্যায় সৌদি আরবের নিওম শহরে যুবরাজ সালমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। সেখানে আগে থেকেই রিয়াদ সফররত মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেওর সঙ্গে বৈঠক করতে উপস্থিত ছিলেন যুবরাজ সালমান।

ইসরায়েলের সঙ্গে আরব রাষ্ট্রগুলোর সম্পর্ক স্বাভাবিক করায় যুক্তরাষ্ট্রের ক্রমাগত চাপের মধ্যে নেতানিয়াহুর সৌদি আরব সফরের এ খবর এল।

এই বৈঠকের তৃতীয় পক্ষ অর্থাৎ মার্কিন প্রশাসন কিংবা জেরুজালেমের মার্কিন দূতাবাস থেকে এ খবরের ব্যাপারে তাৎক্ষণিক কোনও মন্তব্য আসেনি। ওয়াশিংটন পোস্ট বলছে, এই খবর সত্যি হলে এটি হবে ঐতিহাসিকভাবে বৈরি দেশদুটির মধ্যে প্রথম কোন বৈঠক যার খবর প্রকাশ্যে এলো। একই সঙ্গে প্রথম কোন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর সৌদি আরব সফরও বটে এটি।

২২ নভেম্বর  মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও এবং সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের বৈঠক। ©রয়টার্স

মধ্যপ্রাচ্যের একটি গোয়েন্দা সূত্রের বরাত দিয়ে মার্কিন দৈনিক ওয়াশিংটন পোস্ট জানিয়েছে, খুব অল্প কয়েকজন লোকই এ বৈঠকটির কথা জানতেন। বিবিসির এক প্রতিবেদন বলছে, বৈঠকটির আয়োজন নিয়ে এতই গোপনীয়তা রক্ষা করা হয়েছিল যে ইসরায়েলের বিকল্প প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রী বেনি গানৎজ এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী গ্যাবি আশকেনাজিকেও এ ব্যাপারে কিচ্ছু জানানো হয়নি।

হিব্রু বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক বিশেষজ্ঞ শাউল ইয়ানাই বিবিসিকে বলেছেন, নেতানিয়াহু একজন অভিজ্ঞ কূটনীতিক এবং ইসরায়েল হয়তো সবুজ সংকেত পেয়েই বৈঠকের খবরটি ফাঁস করেছে, এবং তারা চাইছে খবরটি সবাই জানুক।

সৌদি আরবের ইতিবাচক সাড়ার ইঙ্গিত?

সৌদি আরব ও তার বন্ধুপ্রতিম দেশগুলো ১৯৭৯ সালের ইসলামী বিপ্লবের পর থেকেই ইরানকে তাদের বড় হুমকি হিসেবে দেখে আসছে। হুমকির পেছনে শিয়া-সুন্নি দ্বন্দ্ব, বিভিন্ন রাজপরিবার-শাসিত আরব দেশগুলো ইরান ও তার সমর্থিত গোষ্ঠী সম্পর্কে সংঘাতপূর্ণ মনোভাবকে কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছিল। ফলে ইরানকে দমিয়ে রাখার অভিন্ন লক্ষ্য ছিল সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর।

অন্যদিকে ইরানের কড়া ইসরায়েল-বিরোধী নীতি এবং বিশেষত তার পরমাণু কর্মসূচির কারণে দেশটিকে বেশ সমীহ করেই চলে ইসরায়েল। ফলে ইরান হয়ে উঠেছে সৌদি আরব, তার মিত্র ও ইসরায়েল – সবারই অভিন্ন প্রতিপক্ষ। বিশ্লেষকরা বলছেন, এতে করে অভিন্ন একটি সিদ্ধান্ত আসার পথ খুলে যেতে পারে এই দেশগুলোর জন্য।

কঠোর মুসলিম অনুশাসনের দেশ সৌদি আরবে কোনও ইসরায়েলি নেতার প্রথম প্রকাশ্যে স্বীকৃত সফর ঘিরে বিশ্বজুড়েই চলছে আলোচনা।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মেয়াদ শেষ হওয়ার মুখে তার সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও ইসরায়েলের সঙ্গে আরব দেশগুলোর মৈত্রী স্থাপনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। সৌদি আরব গেল কয়েক দশকে ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে অস্বীকৃতি জানিয়ে এসেছে। কিন্তু গত আগস্টে অনেকটা আকস্মিকভাবেই সৌদি আরব উপসাগরীয় দেশগুলোতে ইসরায়েলি বিমান চলাচলের জন্য তাদের আকাশসীমা খুলে দিয়েছে। দুই দেশের সম্পর্ক উন্নয়নে এটিকে দেখা হয়েছিল ইতিবাচক সাড়া হিসেবে।  যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এর আগেও বলেছেন, সৌদি আরব ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করুক সেটিই তিনি আশা করেন।

তবে সৌদি আরব এ ব্যাপারে মন বদলেছে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে ২১ নভেম্বর সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, সৌদি আরব সম্পর্ক পুরোপুরি স্বাভাবিক করাকে সমর্থন করে। তবে তা হতে হবে ইসরায়েল-ফিলিস্তনের মধ্যে একটি স্থায়ী এবং পরিপূর্ণ শান্তিচুক্তি হওয়ার শর্তে। এরপরই দুই দেশের গোপন বৈঠকের খবর এলো।  আগামীর দিনগুলোয় দুই দেশের সম্পর্ক নতুন কোন দিকে মোড় নেয় সেটিই এখন দেখার বিষয়।

এই দুটো দেশের সম্পর্ককে যদি আরো উজ্জ্বল করতে হয় তাহলে তাকে ফিলিস্তিনের ব্যাপারে তাদেরকে কিছু অগ্রগতি ঘটাতে হবে। সৌদি আরব বহু দিন ধরেই বলে আসছে, রাষ্ট্র হিসেবে সৌদি আরবকে স্বীকৃতি দেওয়ার আগে ফিলিস্তিনের ব্যাপারে ইসরায়েলকে কিছু একটা করতে হবে।


This is a Bengali Article on Israel-Saudi Relationship.  Necessary Sources are hyperlinked within the article.

Feature Image: Global Village Space

আরও পড়ুন
মন্তব্যসমূহ
Loading...