বিশ্বের ৫টি স্মরণীয় রাজনৈতিক স্ক্যান্ডাল

কিছু কিছু রাজনৈতিক নেতাকর্মী ক্ষমতার নেশায় নিজেদের সব কিছুর উর্ধ্বে মনে করেন, আইন, ধর্মীয় নীতিবোধ, কোন কিছুই যেন তাদের থেকে বড় না।

বিশ্বের ৫টি স্মরণীয় রাজনৈতিক স্ক্যান্ডাল

 

রাজনীতি আর স্ক্যান্ডাল এই দুটি শব্দ যেন একে অপরের সাথে ওতপ্রতভাবে জড়িত। রাজনীতিবিদদের জীবন নানা রকম স্ক্যান্ডালে জর্জরিত, কখনো নারী ঘটিত জটিলতা, কখনো বা টাকা। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে রাজনীতিবিদরা এই ধরনের স্ক্যান্ডালে কর্ণপাত করেন না, কিন্তু জনগণকে রুখবে কে! দেশের মুখপাত্ররা যতই এড়িয়ে যান না কেন, জনগণ ঠিকই সময় মত তাদের ক্ষমতা প্রদর্শণ করে, এবং অনেক সময় জনপ্রিয়তার শীর্ষে থাকা ব্যক্তিদেরও আছড়ে মাটিতে ফেলে চোখের পলকে। 

মিডিয়ার ব্যবহার বা অপব্যবহার করে অনেকেই রাতারাতি এই স্ক্যান্ডালের ফায়দা নিতে তৎপর হয়ে উঠে, সুযোগটি কাজে লাগিয়ে শত্রুপক্ষের পতন নিশ্চিত করে শুরু করে ক্ষমতার নতুন লড়াই। কিছু কিছু রাজনৈতিক নেতাকর্মী ক্ষমতার নেশায় নিজেদের সব কিছুর উর্ধ্বে মনে করেন, আইন, ধর্মীয় নীতিবোধ, কোন কিছুই যেন তাদের থেকে বড় না। আর এমন চিন্তাভাবনা থেকে করা কাজ যে ফলপ্রসূ হয় না তা তাদের দেখলেই বুঝা যায়, কেননা পরবর্তীতে তারা নিজেরাই নিজেদের পতনের কারণ হয়ে উঠেন।

এই পলিটিকাল স্ক্যান্ডাল কোন একটি জাতি বা দেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ না, কিছু কিছু ঘটনা এতই বড় রূপ নেয় যে এই ঘটনা হয়ে উঠে ইন্টারন্যাশনাল নিউজ। বিশ্বের এমনই ৫টি আলচিত সমালোচিত রাজনীতিক স্ক্যান্ডাল নিয়ে আমাদের আজকের আর্টিকেল। 

 

 

১০: টি-পট ডোম স্ক্যান্ডাল

ওয়ারেন হার্ডিংয়ের রাষ্ট্রপতি থাকা আমেরিকার সবচেয়ে বেশি আলোচিত কেলেঙ্কারিগুলোর মধ্যে টি-পট ডোম কেলেঙ্কারী ছিল অন্যতম। টি-পট ডোম ছিল মার্কিন নৌবাহিনীর জরুরি ব্যবহারের জন্য ওয়াইয়োমিংয়ের সরকারী জমিতে অবস্থিত একটি তেল ক্ষেত্র। তেল সংস্থাগুলো এবং রাজনীতিবিদরা দাবি করেছিলেন যে এই তেলের মজুদ প্রয়োজনীয় ছিল না এবং তেল সংস্থাগুলো এ-ও বলেছিল, যদি নৌবাহিনীতে কোন রকম তেলের সংকট দেখা দেয় তাহলে তারাই সরবরাহ করতে পারবে।

Image Source: Wikipedia

১৯২২ সালে স্বরাষ্ট্রসচিব অ্যালবার্ট বি ফল, প্রতিযোগিতামূলক বিড না চেয়ে টি-পোট ডোমের থেকে ম্যামথ অয়েল আর প্যান আমেরিকান পেট্রোলিয়ামকে তেলের অধিকার লিজ দেওয়ার বিনিময়ে তেল সংস্থার আধিকারিকদের কাছ থেকে ৪,০৪,০০০ ডলারের একটি উপহার ও ইজারা গ্রহণ করেছিলেন। তার গ্রহণ করা এই ইজারাটি আইনী ছিল, তবে উপহারটি ছিল না।

Image Source : Britannica

 

 

এই ঘটার পর ফল এই বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেন তবে ১৪ই এপ্রিল ১৯২২ সালে দি ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল এই ঘুষ নেওয়ার ব্যপারটি উন্মোচন করে। এরপরও ফল নিজের বিরুদ্ধে উঠা প্রতিটা অভিযোগ অস্বীকার করে তবে এর মধ্যে একজন তেল কোম্পানির কার্যনির্বাহক ফলকে ১,০০,০০০ ডলার দেওয়ার ব্যপারটি স্বীকার করে। 

 

১৯২৭ সালে, সুপ্রিম কোর্ট রায় দেয় যে তেল ইজারা অবৈধভাবে প্রাপ্ত হয়েছিল এবং মার্কিন নৌবাহিনী টি-পট ডোম এবং অন্যান্য রিজার্ভের নিয়ন্ত্রণ ফিরে পায়। ফলকে ১৯২৯ সালে ঘুষ নেওয়ার দায়ে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছিল, এক লক্ষ ডলার জরিমানা করা হয়েছিল, এবং এক বছরের কারাদন্ডে দন্ডিত করা হয়েছিল। তিনি ছিলেন ক্ষমতায় থাকাকালীন প্রথম মন্ত্রিসভার সদস্য যাকে তার কৃতকর্মের জন্য কারাবন্দি করা হয়েছিল।

 

রাষ্ট্রপতি হার্ডিং ১৯২৩ সালে তার মৃত্যুর সময় এই কেলেঙ্কারী সম্পর্কে অবগত ছিলেন না, তবে এটি তার প্রশাসনকে ইতিহাসের সবচেয়ে দুর্নীতিবাজ হিসাবে বিবেচনা করার ক্ষেত্রে অবদান রাখে।

 

৯: দি প্রফুমো এফেয়ার 

Image source : gangland and prison related

এটি ১৯৬৩ সালের একটি ঘটনা। সমস্যা তখন থেকে শুরু হয় যখন ব্রিটিশ নোবেলম্যান লর্ড অ্যাস্টর, অস্টিওপ্যাথ স্টেফেন ওয়ার্ডকে তার একটি পার্টিতে আমন্ত্রণ জানান। ওয়ার্ড তার সাথে তার ১৯ বছর বয়সী এক মেয়ে বান্ধু ক্রিস্টিন ক্লিনারকে নিয়ে আসেন, তার সাথে ছিল তার আরও কিছু মেয়ে বন্ধু। সেই পার্টিতে উপস্থিত ছিলেন অ্যাস্টারের আরও একজন বন্ধু, জন প্রফুমো। প্রফুমোর ক্রিস্টিনকে দেখে ভালো লেগে যায়। প্রফুমো ছিলেন প্রধানমন্ত্রী হ্যারল্ড ম্যাকমিলনের কনজারভেটিভ পার্টি সরকারে যুদ্ধের সেক্রেটারি। প্রফুমোর ক্রিস্টিনের সাথে সম্পর্ক শুরু করে, অন্যদিকে ক্রিস্টিন রাশিয়ান নৌ সংযুক্তি এবং সম্ভাব্য সোভিয়েত গুপ্তচর ইউজিন ইভানভকেও ডেট করছিলেন।

Image Source : BT.com

এই ঘটনা যখন ক্রিস্টিনের আরেক বয়ফ্রেন্ড জানতে পারে সে এটি নিয়ে এক কেলেঙ্কারি কান্ড ঘটায়, আর এই ঘটনা ধীরে ধীরে বাইরে ছড়াতে থাকে। প্রফুমো শুরুতে তার বিরুদ্ধে সকল অভিযোগ অস্বীকার করে, তবে ব্রিটিশ মিডিয়া এত সহজে হাল ছাড়ার পাত্র না, এক পর্যায়ে প্রফুমো চাপের মুখে পরে তার সব দোষ শিকার করে তার পর পরই লজ্জায় পদত্যাগ করার সিদ্ধান্ত নেয়।  

 

 

৮: চাঁপাকিডিক

Image Source : youtube

১৯৬২ সালে আমেরিকান সিনেট হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে এডওয়ার্ড এম. কেনেডি তার সতন্ত্র চিন্তা ভাবনার জন্য বেশ প্রশংসিত ছিলেন। শিক্ষা ব্যবস্থা থেকে স্বাস্থ্যসেবা সবখানেই কেনেডি ছিলেন জনপ্রিয়। তবে তার এই ইতিবাচক জনপ্রিয়তা তার ব্যক্তিগত জীবনের সাথে মিলে না। ১৮ জুলাই, ১৯৬৯ কেনেডি ম্যাসাচুসেটসের চাঁপাকিডিক দ্বীপে একটি পার্টিতে অংশ নিয়েছিলেন। তিনি টেডের প্রয়াত ভাই রবার্টের পক্ষে প্রচারণা চালিয়েছিলেন ২৯ বছর বয়সী মেরি জো কোপচেনের সাথে। এই পার্টি থেকে তারা দুইজন একসাথে এক গাড়িতে রওনা দেন আর রাস্তায় কেনেডির গাড়ি এক্সিডেন্ট করে। এই দুর্ঘটনায় কোপচেনে পানিতে ডুবে মারা যায়। কেনেডির ভাষ্য মতে তিনি কেপচেনেকে বাচাতে প্রাণপণ চেষ্টা করেছে তবে পানির স্রোত অত্যন্ত বেশি হওয়ায় তিনি কেপচেনেকে বাচাতে পারেননি। 

 

তবে এরপর কেনেডি সাঁতরিয়ে পাড়ে আসে, আবার পার্টিতে ফেরত যায় এবং সাথে আরও লোক নিয়ে আসে সাহায্যের জন্য। দুর্ভাগ্যবশত তাদের এই চেষ্টাও ব্যর্থ হয়। পরেরদিন সকালে কেনেডি এই ঘটনা তার আইনজীবী এবং কেপচেনের বাবা মা কে জানায়। 

FILE – In this July 19, 1969 file photograph, crowds watch as U.S. Sen. Edward Kennedy’s car is pulled from water at the Dyke Bridge in Edgartown, Mass. It’s been 50 years since the fateful automobile accident that killed a woman and thwarted Kennedy’s presidential aspirations. (AP Photo, File). Image Source : Voice of America

বলা হয়েছিল কেনেডি মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালাচ্ছিলেন তাই এমন দুর্ঘটনা ঘটে, তবে এমন কিছুর প্রামাণিত হয়নি৷ তবে কেনেডি দুর্ঘটনার স্থান ত্যাগ করেছিলেন তাই তাকে দুই মাস কারাবন্দী থাকতে হয় সাথে তার ড্রাইভিং লাইসেন্স এক বছরের জন্য সাসপেন্ডেড হয়।

 

তার জীবনের এই স্ক্যান্ডালটি ১৯৮০ সালে তাকে প্রেসিডেন্সিয়াল প্রার্থী হওয়ার সুযোগ থেকে হাতছাড়া করে, তাতে অবশ্য তার জনপ্রিয়তায় একটুও ত্রুটি হয়নি। ২০০৬ সালে টাইম ম্যাগাজিন তাকে আমেরিকার সেরা ১০ সেনেটরের একটি ঘষণা করে।

 

 

৭: ওয়াটারগেট

ওয়াটারগেট এমন একটি স্ক্যান্ডাল যার কারনে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিক্সনকে পদত্যাগ করতে হয়েছিলো। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের একমাত্র প্রেসিডেন্ট যিনি তার ক্ষমতা থেকে পদত্যাগ করেন। বলা হয়েছিল নিক্সনের পুনরায় ইলেকশন করার দাবী ছিল একটি সাজানো নাটক।  ২৭ মে, ১৯৭২, সালে প্রাক্তন সি আই এ এজেন্ট ই. হওয়ার্ড হান্ট জুনিয়র, প্রাক্তন সি আই এ অপারেটিভ জেমস ডাব্লিউ ম্যাককর্ড জুনিয়র, প্রাক্তন নিউইয়র্ক অ্যাসিসট্যান্ট ডিস্ট্রিক্ট এটর্নি জি গর্ডন লিডি, সাথে আরও ছয় ব্যক্তি ওয়াশিংটনের ওয়াটারগেট হোটেলের ডেমোক্রেটিক হেডকোয়ার্টারে প্রবেশ করে এবং জরুরী কাগজ এবং কিছু ছবি চুরি করে।  

Image Source : Mormon History

এরপর তারা আবার ১৭ ই জুন চুরির চেষ্টা চালায়, তখন তারা একজন সুরক্ষাকর্মীর নজরে পরে এবং সে ওয়াশিংটন পুলিশকে ডাকে, যিনি ম্যাককার্ড এবং আরও চারজন চোরকে গ্রেপ্তার করেন। একটি প্রচ্ছদ জালিয়াতিপূর্ণ প্রমাণগুলো ধ্বংস করতে, তদন্তে বাধাগ্রস্ত করতে এবং প্রেসিডেন্টকে জড়াতে পারে এমন কেলেঙ্কারির বিস্তারকে থামিয়ে দিয়েছিল। ২৯ শে আগস্ট নিক্সন ঘোষণা করেছিলেন যে এই ব্রেক-ইনের তদন্ত হয়েছে এবং হোয়াইট হাউসের কেউ এতে জড়িত নেই।

 

নিক্সনের শত চেষ্টার পরও তার সম্পৃক্ততা প্রমাণিত হয় তারই কিছু রেকর্ডিং থেকে। এই ঘটনার পর ৯ই আগস্ট ১৯৭৪ তিনি পদত্যাগ করেন। 

 

 

৬: উইলবার মিলস

Image Source : The tragic story of the man who tried to stop John Wilkis

মহামন্দার সময়, উইলবার মিলস আরকানসাসে কাউন্টি বিচারক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন এবং দরিদ্রদের জন্য মেডিকেল ও প্রেসক্রিপশন ওষুধের বিল পরিশোধের জন্য সরকারী অনুদানপ্রাপ্ত কর্মসূচি শুরু করেছিলেন। মিলস ১৯৩৯ সালে হাউস অফ রিপ্রেজেনটেটিভ নির্বাচিত হয়ে ১৯৭৭ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেছিলেন, ১৮ বছর ধরে তিনি ওয়ে এবং মিনস কমিটির প্রধান ছিলেন।

 

Image Source : KUAF

১৯৬০ এর দশকে, মিলস মেডিকেয়ার প্রোগ্রাম তৈরীতে একটি অবিচ্ছেদ্য ভূমিকা পালন করেছিল এবং তিনি ১৯৭২ সালের ডেমোক্রেটিক প্রাইমারির হয়ে রাষ্ট্রপতির পদের জন্য একটি ব্যর্থ বিড করেছিলেন। তার এই সকল পরিচয়ের পাশাপাশি তিনি ওয়াশিংটনের একটি আলোচিত স্ক্যান্ডালের জন্য বিশেষ ভাবে পরিচিত। 

 

৭ই অক্টোবর, ১৯৭৪ সালে জেলসন মেমোরিয়ালের কাছে ওয়েস্ট পোটোম্যাক পার্কে পুলিশ মিলসের গাড়ি থামায়। মিলস সে সময় মাতাল ছিল এবং গাড়ির পিছনের সিটে ফ্যান ফক্স নামে একটি আর্জেন্টাইন স্ট্রিপারের সাথে ছিল। পুলিশ কাছে আসলে ফক্স গাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যায়।

 

মিলসকে এরপর একটি রিহ্যাবিলিটেশন সেন্টারে পাঠানো হয় এবং ১৯৭৪ সালের নভেম্বরে মিলস কংগ্রেসের হয়ে নির্বাচিত হোন। এই ঘটনার পর, মিলসকে ওয়ে এবং মিনস কমিটির চেয়ারম্যান পদ থেকে পদত্যাগ করতে বাধ্য করা হয় এবং ১৯৭৬ সালে তিনি আর পুনরায় র্নির্বাচনে অংশ নেননি।

 

মিলস ১৯৯২ সালে মারা যায় এবং এই কেলেঙ্কারী সত্ত্বেও আরকানসাসের বেশ কয়েকটি স্কুল এবং মহাসড়ক তার নামে নামকরণ করা হয়। 

 

 

৫: দি ইরান কন্ট্রা এফেয়ার 

১৯৮৫ সালের ৮ ই জুলাই রাষ্ট্রপতি রোনাল্ড রেগান আমেরিকান বার অ্যাসোসিয়েশনকে বলেছিলেন যে ইরান সন্ত্রাসবাদী রাষ্ট্রগুলোর সংঘর্ষের অংশ ছিল। তিনি উল্লেখ করতে ব্যর্থ হন যে তার প্রশাসনের সদস্যরা ইরানপন্থী সন্ত্রাসী গোষ্ঠী দ্বারা লেবাননে আটক মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জিম্মিদের মুক্তির সুবিধার্থে গোপনে ইরানের কাছে অস্ত্র বিক্রি করার পরিকল্পনা করছিল।

 

Image Source : nacla

অস্ত্র বিক্রয় থেকে লাভ গোপনে দেশের গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকারকে উত্থাপন করার প্রয়াসে কনট্রাস্ট হিসাবে পরিচিত, বিদ্রোহী বাহিনীকে সহায়তা করার জন্য নিকারাগুয়ায় গোপনে প্রেরণ করা হয়েছিল। ঘটনাটি ইরান-কন্ট্রা নামে পরিচিতি লাভ করেছিল এবং এটি রেগান প্রশাসনের সবচেয়ে বড় স্ক্যান্ডালের একটি।

 

ইরানের কাছে অস্ত্র বিক্রির বিষয়টি ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের (এন এস সি) প্রধান রবার্ট ম্যাকফারলেনের অধিনায়কত্বে অনুষ্ঠিত হয়। এনএসসির কর্মী অলিভার নর্থ ইরানকে প্রদত্ত ৪৮ মিলিয়ন ডলারের একটি অংশ কনট্রাস্টে প্রেরণের ব্যবস্থা করেছিলেন, যা এই ধরণের সহায়তাকে নিষিদ্ধ করে ১৯৮৪ সালের একটি আইন লঙ্ঘন করেছিল। নর্থ এবং তার সেক্রেটারি ফন হলও সমালোচনামূলক কিছু নথি ছড়ে ফেলেন।

 

রাষ্ট্রপতি রেগান বারবার এই গুজব অস্বীকার করেছিলেন তবে পরে বলেছিলেন যে তাকে ভুল তথ্য দেওয়া হয়েছিল। তিনি তদন্তের জন্য একটি বিশেষ পর্যালোচনা বোর্ড তৈরি করেছিলেন। ১৯৮৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে বোর্ড রাষ্ট্রপতিকে নির্দোষ প্রামাণিত করে। জড়িত অন্যরা দোষী হিসাবে প্রমাণিত হয়েছিল তবে তাদের আপিলের ভিত্তিতে তাদের সাজা বাতিল করা হয়েছিল বা পরে রাষ্ট্রপতি জর্জ এইচ ডব্লু বুশ ক্ষমা করেছিলেন।

 

 

এই গেল বিশ্বের ৫টি বহুল আলোচিত রাজনৈতিক স্ক্যান্ডেলের ইতিহাস,  আরও কিছু  স্ক্যান্ডেলের বিস্তারিত ইতিহাস নিয়ে হাজির হবো এই আর্টিকেলের দ্বিতীয় খন্ডে।


This is a Bengali language article on Political Scandals.
Reference : Political Scandals
আরও পড়ুন
মন্তব্যসমূহ
Loading...